আমাদের তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিশ্বে অতুলনীয়: মোস্তাফা জব্বার।

প্রকাশঃ ০১:৪৯ মিঃ, নভেম্বর ৫, ২০২২
Card image cap

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্র্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আমাদের তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিশ্বে অতুলনীয়। অতীতে প্রথম ও দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সম্পূর্ণভাবে আমরা মিস করেছি এবং তৃতীয় শিল্প বিপ্লব ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত কর্মসূচির ফলে আংশিকভাবে শরীক হতে পেরিছি। এরই ধারাবাহিকতায় গৃহীত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির পথবেয়ে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে অংশ গ্রহন করে শিল্পোন্নত দুনিয়ার সাথে সমান্তরালে আজ পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের পথে হাটছে।

টেকওয়ার্ল্ড প্রতিনিধি:

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্র্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আমাদের তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিশ্বে অতুলনীয়। অতীতে প্রথম ও দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সম্পূর্ণভাবে আমরা মিস করেছি এবং তৃতীয় শিল্প বিপ্লব ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত কর্মসূচির ফলে আংশিকভাবে শরীক হতে পেরিছি। এরই ধারাবাহিকতায় গৃহীত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির পথবেয়ে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে অংশ গ্রহন করে শিল্পোন্নত দুনিয়ার সাথে সমান্তরালে আজ পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের পথে হাটছে।মন্ত্রী গতকাল শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাাঁও হোটেলে ‘বাঘ ইকো মোটরর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী ডিজিটাল প্রযুক্তিকে দিন বদলের হাতিয়র উল্লেখ করে বলেন প্রযুক্তির চাইতে জনবান্ধব আর কিছু নেই। আমরা যত কিছুই করি, প্রযুক্তি ছাড়া আমাদের পক্ষে মানুষের জীবনকে সহজ-সরল এবং কষ্টহীন করার কোনো উপায় নেই। ডিজিাটাল প্রযুক্তি বিকাশের অগ্রদূত জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, ১৯৭৩ সালে আইটিইউ ও ইউপিইউ এর সদস্যপদ অর্জন, টিএন্ডটি বোর্ড গঠন এবং ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় উপগ্রহ ভূ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বীজ বপন করে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সাড়ে ১৮ বছরের শাসনামলে সেই বীজটিকে চারা গাছ থেকে আজ তা মহিরূহে রূপ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন এ দেশের একটিও শিল্প-কারখানা ছিল না। যে কয়টি ছিল সবগুলোর মালিক ছিল পাকিস্তানিরা। পাকিস্তানিরা যখন পালিয়ে যায়, তখন পরিত্যক্ত কারখানাগুলো সচল করার উদ্যোগ নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঘ ইকো মোটরস লিমিটেড শূন্যতার মধ্য থেকে উঠে এসেছে। এটি কেবল বাংলাদেশের মানুষের কাছে উদ্ভাবনের প্রতীক হিসেবে থাকবে না, দক্ষিণ এশিয়া কিংবা সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে উদ্ভাবনের প্রতীক হয়ে থাকবে।’ এই গাড়ির উদ্বোধনকে যুগান্তকারী উল্লেখ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার এই উদ্ভাবক বলেন ‘আজ আমার মনে হলো আমরা পঞ্চম শিল্প বিপ্লবে পা দিলাম। পৃথিবীর কাছে বুক ফুলিয়ে আমরা বলতে পারবো তোমরা প্রস্তুত হও, বাংলাদেশ তোমাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা ডিজিটাল প্রযুক্তির চর্চা করছি। এই চর্চার নানাবিধ প্রয়োগ যেখানে-সেখানে দেখতে পাচ্ছি। নিজের চোখে যখন ‘বাঘ ইকো মোটরস’-এর পণ্যগুলো দেখলাম, আকাশ থেকে পড়েছি। এর মাধ্যমে ৬ টাকার ভাড়া ৬০ পয়সায় নামিয়ে নিয়ে আসবে, এটা অবিশ্বাস্য। কেউ কি ভাবতে পারে, ৬ পয়সায় কোথাও যাতায়াত করতে পারবো! এটি একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’’
দীর্ঘ ৪ বছর পরিশ্রমের পর সৌরবিদ্যুৎচালিত টু-হুইলার, থ্রি-হুইলার ও ফোর-হুইলার ইলেকট্রনিক গাড়ি নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করলো বাঘ ইকো মোটরস। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির এই গাড়িগুলোতে রয়েছে ইন্টারনেট সুবিধাসহ ফ্রি ওয়াইফাই, জিপিএস ট্র্যাকিং, মোবাইল চার্জ সুবিধা, প্যানিক বাটন, ২৪ ঘণ্টা ভিডিও মনিটরিংব্যবস্থা, ব্যাটারি ও চার্জিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।বাঘ ইকো মটর্সের সত্ত্বাধিকারি কাজী জসিমুল ইসলাম বাপ্পির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অভিনেতা আফজাল হোসেন, বাঘ ইকো মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাহিদ নওরিন জাহান , এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল জহির এবং সফটওয়্যর প্রকৌশলী মঞ্জুর আহমেদ বক্তৃতা করেন।
এর আগে মন্ত্রী ফিতা কেটে বাঘ ইকো মটর্স উদ্বোধন করেন।

সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ১৪১ বার