শিক্ষাকে গণমুখী ও অবৈতনিক করার লক্ষ্যে শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: পলক

প্রকাশঃ ০৯:০৩ মিঃ, নভেম্বর ২৪, ২০২২
Card image cap

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার জন্য শিক্ষাকে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু শিক্ষাকে গণমুখী এবং অবৈতনিক করার পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক ও সোনার বাংলা গড়ার হাতিয়ার এবং সোনার মানুষ গড়ে তোলার জন্য একটি শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন।

টেকওয়ার্ল্ড প্রতিনিধি:

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার জন্য শিক্ষাকে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু শিক্ষাকে গণমুখী এবং অবৈতনিক করার পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক ও সোনার বাংলা গড়ার হাতিয়ার এবং সোনার মানুষ গড়ে তোলার জন্য একটি শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু সেই শিক্ষা নীতি প্রণয়নের দায়িত্ব দিয়েছিলেন একজন বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-এ-খুদা কে, যেন বাংলাদেশের প্রতিটি সোনার সন্তানেরা বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ হয় এবং তারা যেনো সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অনুষ্ঠিত নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লিয়াকত সিকদার, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুখ। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি আর বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে স্মার্ট উদ্যোক্তা তৈরির কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের গার্মেন্টস্ সেক্টরে আগামীতে প্রচুর পরিমাণে রোবট প্রয়োজন হবে। তথ্য-প্রযুক্তিতে ভবিষ্যতে প্রচুর সুযোগ তৈরি হবে। আগামীতে তথ্য-প্রযুক্তি, ক্রিয়েটিভিটি, ক্রিটিক্যাল থিংকিং, প্রবলেম সলভিং, কমিউনিকেশন স্কিল এমনকি নতুন নতুন রোবট তৈরিতে সহায়তা করবে অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ীভাবে অনুমোদন পেয়েছে। যার মধ্যে অতীশ দীপঙ্কর হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান। 

উল্লেখ্য, অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির স্থায়ী ক্যাম্পাসে নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে রোবোটিক্স, মেকাট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্বোধন করা হয়। এ ছাড়া নাচ, গান, আবৃত্তি, অভিনয়, নাটক ও কৌতুকসহ মনোজ্ঞ পরিবেশনা তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

আনন্দঘন এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ট্রেজারার রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, এডভাইজর, এইএমসি এডভাইজর, বিভাগীয় প্রধান, কো-অডির্নেটের, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, অবিভাবকবৃন্দ।  


সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ২২ বার