দেশের দ্বিতীয় ডিজিটাল পল্লি হবে শরীয়তপুরের ডামুড্যায়

প্রকাশঃ ০৬:১১ মিঃ, ডিসেম্বর ৭, ২০২২
Card image cap

ডিজিটাল কমার্স ভিলেজ বা ডিজিটাল পল্লি উদ্যোগের আওতায় একাধিক মডেল গ্রাম তৈরি করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ২০০ জন উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি কল সেন্টার, ডেলিভারি সার্ভিস, মার্কেটপ্লেস তৈরি, ডিজিটাল পেমেন্ট সেবার সুযোগও চালু করা হবে।

টেকওয়ার্ল্ড প্রতিনিধি:

ই-কমার্সের শক্তিতে এবার গ্রাম থেকে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার মিশন ডিজিটাল কমার্স প্রকল্পের অধীনে এলো শরীয়তপুর। সফলভাবে ‘ডিজিটাল পল্লি’ বাস্তবায়নের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) নতুন করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করে।

মঙ্গলবার ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলনকক্ষে ডিজিটাল কমার্স ভিলেজের উদ্বোধন করেন শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক। এ সময় জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান এবং ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাছিবা খান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিম রাজ্জাক বলেন, ডিজিটাল পল্লি চালু হওয়ায় স্থানীয় মৎস্যসম্পদের মাধ্যমে ডামুড্যার আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হবে। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জয়যুক্ত হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপরেখা বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক ভাবে বাংলাদেশের কানেক্টিভিটি বা অবকাঠামো ও সংযোগ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রাথমিক ভাবে ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন করেন। এর পর ধাপে ধাপে সরকারে প্রতিটি বিভাগের সকলকে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্ট্যান্ডার্ড ডিজিটাল অপানেসন ম্যানুয়াল উপস্থাপন করেন যার প্রকাশ ঘটছে ই-টেন্ডার ও ই-নথির মতো বিষয়ের মধ্য দিয়ে। সকলকে অনলাইনে সংযুক্ত করেন। ২০১৫ সালে তা গ্রামকে শহরে রূপান্তরের ঘোষণা দেন। ডিজিটাল পল্লী তারই বাস্তব উদাহরণ।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাছিবা খানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানান ডিজিটাল পল্লী কর্মসূচির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহীম খলিল। কীভাবে ডামুড্যা গ্রামকে ই-কমার্স এর শক্তিতে ডিজিটাল পল্লী হিসেবে রূপান্তর করা হবে তার কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরেন ডিজিটাল পল্লী কর্মসূচির ভাইস প্রেসিডেন্ট জাহিদুজ্জামান সাঈদ।

ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ বলেন, ডিজিটাল কমার্সের সুবিধা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছানোর মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আনাই ডিজিটাল পল্লির প্রধান উদ্দেশ্য। আর এই লক্ষ্য পূরণের জন্য মানিকগঞ্জের পর শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলাকে ডিজিটাল পল্লিতে রূপান্তর করা হবে।

উল্লেখ, ডিজিটাল কমার্স ভিলেজ বা ডিজিটাল পল্লি উদ্যোগের আওতায় একাধিক মডেল গ্রাম তৈরি করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ২০০ জন উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি কল সেন্টার, ডেলিভারি সার্ভিস, মার্কেটপ্লেস তৈরি, ডিজিটাল পেমেন্ট সেবার সুযোগও চালু করা হবে। 

অন্যান্যের মধ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বাচ্চু, আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফয়সাল খান প্রমুখ।  

সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ৭৪ বার