২০২৩ সালেই চালু হতে পারে নতুন প্রযুক্তির ‘উড়ন্ত ট্যাক্সি’

প্রকাশঃ ০৮:২৫ মিঃ, ডিসেম্বর ২০, ২০২২
Card image cap

রোটরগুলো সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় উড়ন্ত ট্যাক্সি চালানো হেলিকপ্টারের চেয়ে সহজ এবং স্বয়ংক্রিয় উড্ডয়নেও বিশেষভাবে সক্ষম। উড়ন্ত ট্যাক্সিগুলো সাধারণত আধ-ডজনেরও কম যাত্রী বহন করবে। এটি অনেকটা ড্রোনের মতো একাধিক ছোট ছোট রোটর ব্যবহার করে উল্লম্ব বরাবর উড্ডয়ন ও অবতরণ করতে পারে।

টেকওয়ার্ল্ড প্রতিনিধি:

উলম্ব বরাবর টেক-অফ ও ল্যান্ডিংয়ে সক্ষম আকাশযান বা ইভিটল সাধারণভাবে উড়ন্ত ট্যাক্সি নামে পরিচিত। এর নির্মাতাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বছর হতে চলেছে ২০২৩। নতুন বছরেই বাণিজ্যিক উত্পাদন শুরুর জন্য ছাড়পত্র পাওয়ার আশা করছে বেশ কয়েকটি সংস্থা। সেটি হলে আকাশপথে যাত্রী পরিবহনে আরেকটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে খুব শিগগির।  [ সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট  ]

উড়ন্ত ট্যাক্সিগুলো সাধারণত আধ-ডজনেরও কম যাত্রী বহন করবে। এটি অনেকটা ড্রোনের মতো একাধিক ছোট ছোট রোটর ব্যবহার করে উল্লম্ব বরাবর উড্ডয়ন ও অবতরণ করতে পারে। রোটরগুলো সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় উড়ন্ত ট্যাক্সি চালানো হেলিকপ্টারের চেয়ে সহজ এবং স্বয়ংক্রিয় উড্ডয়নেও বিশেষভাবে সক্ষম। তাছাড়া, বেশি সংখ্যক রোটর থাকায় বাড়তি নিরাপত্তা পাওয়া যাবে। কারণ, এক বা একাধিক রোটর বন্ধ হয়ে গেলেও এই ট্যাক্সি মাটিতে পড়বে না। 

এই নতুন আকাশযানগুলোকে ব্যবহারযোগ্য হিসেবে অনুমতি দেওয়ার জন্য এরই মধ্যে নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ শুরু করেছেন নিয়ন্ত্রকরা। এটি বহু-পর্যায়ের প্রক্রিয়া। এতে উড়ন্ত ট্যাক্সির ‘ধরন’ অনুমোদনের পাশাপাশি বাণিজ্যিক উত্পাদন শুরুর আগে কারখানাগুলোকেও প্রত্যয়িত করতে হবে। এছাড়া, ভাড়ায় যাত্রী বহন করতে হলে এয়ারলাইনের মতো লাইসেন্সও প্রয়োজন। সংস্থাগুলো অবশ্য এই অনুমোদন পেতে কঠোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ফ্লাইটের আগে পাইলটচালিত উড্ডয়নের অনুমোদন দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ৫৯ বার