চ্যালেন্জ থাকা সত্বেও প্রথম প্রান্তিকে রাজস্ব ও গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে গ্রামীণফোনের

প্রকাশঃ ১২:৩০ মিঃ, এপ্রিল ২৪, ২০১৯
Card image cap

২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারী-মার্চ)  গ্রামীণফোন ৩৪৯০ কোটি টাকারাজস্ব আয় করেছে । গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১১. ৬ শতাংশ।

টেকওয়ার্ল্ড প্রতিনিধি:

২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারী-মার্চ)  গ্রামীণফোন ৩৪৯০ কোটি টাকারাজস্ব আয় করেছে । গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১১. ৬ শতাংশ। প্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে ৯.৮ শতাংশ। ২০১৯ সালের জানুয়ারী-মার্চে ১৩ লাখ গ্রাহক গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্কে যোগ দিয়েছে যা ২০১৮ সালের শেষ তিন মাসের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) তুলনায় ১.৮ শতাংশ বেশি। প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ১১ লাখ ইন্টারনেট গ্রাহক অধিগ্রহন করেছে । গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহকের মধ্যে ৫১.৬ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি বলেন, "নিয়ন্ত্রনমূলক কিছু চ্যালেন্জ থাকা সত্বেও প্রথম প্রান্তিকে আমরা বেশ ভালো ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করেছি। বাজার  ‌ব্যবস্থায় আমাদের শক্তিশালী অবস্থান বিদ্যমান এবং নতুন নতুন উদ্ভাবন দিয়ে আমরাউল্লেখযোগ্য পরিমান ফোরজি গ্রাহক নিতে পেরেছি। প্রথম প্রান্তিকেভয়েস এবং ইন্টারনেট থেকে ভালো প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি,"

এক নজরে প্রথম প্রান্তিক ২০১৯

  • ৩৪৯০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন গত বছরেরএকই সময়ের তুলনায় ১১.%  রাজস্ব প্রবৃদ্ধি
  • মোট গ্রাহকের সংখ্যা৭কোটি ৪০লাখ মোট গ্রাহকের মধ্যে  কোটি ৮২ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন
  • কর পরবর্তী লাভ ৮৯০ কোটি টাকা ২৫.মার্জিন  ইপিএস .৬১ টাকা 
  • নেটওয়ার্কসম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে ৪২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ
  • সরকারী কোষাগারে ২০৩০ কোটি বা মোট রাজস্বের ৫৮.১% প্রদান


 


 



তিনি আরও বলেন, "শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় আমাদের নিরলস চেষ্টা সবসময়ই অব্যাহত থাকবে।" প্রথম প্রান্তিকে ২৫.৬ শতাংশ মার্জিন নিয়ে মোট লাভের পরিমান দাড়িয়েছে ৮৯০ কোটি টাকা।প্রতি শেয়ারের বিপরীতে ইপিএস দাড়িয়েছে ৬.৬১ টাকা।

গ্রামীণফোনের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা কার্ল এরিক ব্রোতেন "গ্রামীণফোন প্রথম প্রান্তিকে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি ও মার্জিন অর্জন করেছে।গ্রাহকদের মানসম্মত সেবা দিতে নেটওয়ার্কে সম্প্রসারনে আমরা আমাদের বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবো। ভবিষ্যতে গ্রামীণফোনের লাভজনক প্রবৃদ্ধির বিষয়ে আমরা আশাবাদী।"

নেটওয়ার্ক সম্প্রসারন ও আধুনিকায়নেপ্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোন ৪২০০ কোটি টাকাবিনিয়োগ করেছে। আধুনিয়কায়নের পাশাপাশি এ সময়ে গ্রামীণফোন দেশের বিভিন্ন স্থানে ৯২৬টি নতুন ফোরজি সাইট স্থাপন করছে। বর্তমানে গ্রামীণফোনে মোট নেটওয়ার্ক সাইটের সংখ্যা ১৫,৯৩৯টি।গ্রামীণফোন প্রথম প্রান্তিকেকর, ভ্যাট, ফি, ফোরজির লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম এ ফি বাবদ২০৩০ কোটি টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দিয়েছে যা একই সময়ে অর্জিত রাজস্বের ৫৮.১ শতাংশ। ২৩ এপিল ২০১৯ এ গ্রামীণফোনের ২২তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ২০১৮ সালের জন্য ২৮০ শতাংশ  ( ১২৫ শতাংশ অর্ন্তবতীকালীন নগদ লভ্যাংশসহ)  লভ্যাংশ অনুমোদন দিয়েছে।


সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ৫৫ বার