ধামাকাশপিং-একশপ সমঝোতা সই

প্রকাশঃ ০৭:৪৪ মিঃ, এপ্রিল ৮, ২০২১
Card image cap

বাংলাদেশের একমাত্র ডেডিকেটেড গ্রামীণ ই-কমার্স নেটওয়ার্ক একশপ দেশের সীমা পেরিয়ে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও তুরস্কে পৌঁছে গেছে। সমঝোতার মাধ্যমে ধামাকার সব সেবা এখন দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও পৌঁছে যাবে একশপের মাধ্যমে।

সাব্বিন হাসান:

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সহজে ও দ্রুত সময়ে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিতে এটুআই’র উদ্যোগ বাংলাদেশের প্রথম রুরাল এসিস্টেড ই-কামার্স প্লাটফর্ম ‘একশপ’। যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশের জনপ্রিয় ই-কমার্স প্লাটফর্ম ধামাকাশপিং ডটকম। এখন থেকে ধামাকার প্লাটফর্মে একশপের সব উদ্যোক্তাদের পণ্য পাওয়ার সাথে একশপের দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এজেন্টরা ধামাকা শপিং প্লাটফর্মে সুলভে কেনাকাটা করতে পারবেন।

সমঝোতা চুক্তিতে সই করেন ধামাকার চিফ বিজনেস অফিসার দিবাকর দে শুভ এবং একশপ টিম লিড মো: রেজওয়ানুল হক জামি। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এটুআই’র ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট শাহরিয়ার হাসান জিসান, প্রোগাম অ্যাসিসটেন্ট শায়েলা কাদের এবং ধামাকার ডিরেক্টর (অপারেশন) সাফওয়ান আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (কমার্শিয়াল) ইব্রাহিম স্বপন, সিনিয়র ম্যানেজার (কর্পোরেট) কে এম ফেরদৌস ইলিয়াস এবং বিজনেস কো-অর্ডিনেটর সৌরভ সাহা উপস্থিত ছিলেন।

ইনভ্যারিয়েন্ট টেলিকমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. জসিম উদ্দিন চিশতি বলেন, জনগণের কাছে ই-কমার্স সেবা পৌঁছে দিতে এবং নতুন উদ্যোক্তা উৎসাহিত করাই একশপ এবং ধামাকা অনলাইন শপিংয়ের মূল উদ্দেশ্য। নতুন উদ্যোক্তা এবং গ্রাহকদের ই-কমার্সের ওপর আস্থা বাড়ানোর জন্য দেশজুড়ে ধামাকা বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। 

বাংলাদেশের একমাত্র ডেডিকেটেড গ্রামীণ ই-কমার্স নেটওয়ার্ক একশপ দেশের সীমা পেরিয়ে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও তুরস্কে পৌঁছে গেছে। সমঝোতার মাধ্যমে ধামাকার সব সেবা এখন দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও পৌঁছে যাবে একশপের মাধ্যমে।

একশপ টিম লিড মো: রেজওয়ানুল হক জামি জানালেন, সমঝোতার ফলে দেশজুড়ে এক শপের প্রায় ছয় হাজারের বেশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহকেরা ধামাকা প্লাটফর্মের সেবা নিতে পারবেন। একশপের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রান্তিক ব্যাবসায়ীরা ধামাকা শপিং প্লাটফর্মে তাদের পণ্য বাজারজাত করতে পারবেন। 

ই-কামার্স কোম্পানি, লজিস্টিক কোম্পানি, পোস্ট অফিস, পেমেন্ট সুবিধা, ইউডিসি নেটওয়ার্কের মধ্যে সমন্বয় করে একশপ প্ল্যাটফর্ম। এতে একদিকে যেমন প্রান্তিক উৎপাদনকারীর পণ্য প্রায় ২৫ লাখ ই-কমার্স গ্রাহকের কাছে পৌঁছানের সুযোগ হবে, তেমনি শহরের মানুষও ঘরে বসে গ্রামের পণ্য কিনতে পারবেন।

সংবাদটি পঠিত হয়েছেঃ ৪৮ বার