বৃহস্পতিবার

ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০২৪

সর্বশেষ


ই-কমার্স

দেশে টেকসই ই-কমার্স ব্যবসা ও ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চায় দারাজ

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৩, রাত ১০:৫১

টেকওয়ার্ল্ড প্রতিবেদক

Card image

ছবি: টেকওয়ার্ল্ড

ফ্যাশন, বিউটি, মার্ট, মল, হোম অ্যান্ড লিভিং, লাইফস্টাইল, নিত্য ব্যবহার্য পণ্যসহ দারাজের বিস্তৃত ক্যাটাগরি নিয়ে এই আয়োজনটি করা হয়েছে ক্রেতাদের জীবনযাপনের উপযোগী সকল পণ্য সামগ্রি নিয়ে যা তাদের দিবে কেনাকাটায় এক ভিন্ন মাত্রা।

নয় বছরে পদার্পণ করলো দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ। নিজেদের যাত্রায় উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক উৎকর্ষে প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে দেশের মানুষের কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে নতুন মাত্রা যোগ করেছে দারাজ।

সফলতার নয় বছর পদার্পণের মুহূর্তটি অফুরন্ত উল্লাসে মাধ্যমে অবিস্মরণীয় করে রাখতে বিশেষ বর্ষপূর্তি ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছে দারাজ বাংলাদেশ। দেশব্যাপী দারাজের অগণিত ক্রেতা ও সহযোগীদের প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে এই ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মানুষের কেনাকাটার উল্লাসের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে দারাজ নিয়ে এসেছে নতুন ক্যাম্পেইন ‘১-এর উল্লাস’ ।  

দারাজের বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনটি চলবে ১২-২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ক্যাম্পেইনের স্লোগান হচ্ছে “এইটা, ঐটা, যেইটা লাগে, সবই কিনুন দারাজ-এ"।

বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনটির উদ্বোধন করা হয়।

ফ্যাশন, বিউটি, মার্ট, মল, হোম অ্যান্ড লিভিং, লাইফস্টাইল, নিত্য ব্যবহার্য পণ্যসহ দারাজের বিস্তৃত ক্যাটাগরি নিয়ে এই আয়োজনটি করা হয়েছে ক্রেতাদের জীবনযাপনের উপযোগী সকল পণ্য সামগ্রি নিয়ে যা তাদের দিবে কেনাকাটায় এক ভিন্ন মাত্রা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দারাজ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক, গ্রুপ চিফ কমার্শিয়াল অফিসার লু ইয়াও, চিফ অপারেটিং অফিসার খন্দকার তাসফিন আলম, চিহ্ন কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার এ এইচ এম হাসিনুল কুদ্দুস রুশোসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও জনপ্রিয় সেলিব্রিটি, ইনফ্লুয়েন্সার, এবং দারাজের বাণিজ্যিক মুখপাত্রগণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠে।

দারাজের চিফ অপারেটিং অফিসার খন্দকার তাসফিন আলম বলেন, বাংলাদেশের দারাজের যে বৃদ্ধি পেয়েছে সেটা ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্টের  জন্যই সম্ভব হয়েছে। এটা গত ৯ বছরের আমাদের ডেভেলপমেন্টের ফসল। আমাদের ২০০০ যানবাহন আছে। ৬৮০ ভেন ৩১৫০ বেশি রাইডার, ৩০০০ বেশি কর্মী, ৭৬% ডেক্স অডার শেয়ার, ২৫০,০০০ ডেলেভারি ক্যাপাসিটি। বিশ্বের উন্নত দেশের ই-কমাস স্ট্যাটেজিগুলো গবেষণ করে আমাদের উদ্দেশ্য কাস্টমারদের নতুন কিছু দেয়া। সে লক্ষ্যে সারাদেশে কাজ করছি।

এ প্রসঙ্গে দারাজের গ্রুপ চিফ কমার্শিয়াল অফিসার লু ইয়াও বলেন, ক্রেতাদের নিত্য নতুন অফার দেয়ার পাশাপাশি বিক্রেতাদের সব রকমের সহায়তা দেয়াই আমাদের নবম বর্ষপূর্তির প্রতিশ্রুতি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি আলোকিত এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে অবদান রাখতে পারি যা দেশের উন্নয়নে বড় ভূমিকা পালন করবে। ৯ এর উল্লাসে আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাতে চাই, বর্ষপূর্তির এই ক্যাম্পেইনে ক্রেতাদের জন্য থাকছে ৭০% পর্যন্ত ছাড় (নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে), হট ডিনস, ফ্রি ডেলিভারি (নির্ধারিত ক্ষেত্রে), ফ্ল্যাশ সেল, অগণিত নতুন ব্রান্ড লক্ষ, এভরিডে লো প্রাইস, আর্লি বাঙ ভাউচার, মিস্ট্রি বক্স, অ্যাড টু কার্ট সহ আরও অফার। এই অনন্য অফারগুলো আপনার কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে নতুন করে উজ্জীবিত করার সাথে সাথে আমাদের পাশে থেকে এই যাত্রা উদযাপন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

দেশব্যাপী অগণিত শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ দিয়ে দারাজ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন, মাত্র পাঁচ জন কর্মী এবং একটি ওয়েবসাইট নিয়ে নয় বছর আগে যাত্রা শুরু দারাজের। নয় বছরের দীর্ঘ যাত্রায় দারাজ বাংলাদেশ অনেক মাইলফলক অর্জন করেছে, যা ই-কমার্স খাত এবং দারাজ বাংলাদেশের জন্য সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা স্বল্প সময়ে নিজেদের শীর্ষ অবস্থানে নিতে সফল হয়েছি। আমাদের বিশ্বাস আমরা দেশজুড়ে ই-কমার্সের পরিধি বিস্তৃত করতে পেরেছি এবং সমাজের রূপান্তর ও ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা পরিবর্তনে উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সুবিধা দিয়েছি। এক্ষেত্রে, আলিবাবার বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। 

তিনি বলেন, এটি এখন দেশের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। দারাজের এই সফলতার পেছনের রয়েছে দেশজুড়ে অসংখ্য ক্রেতা-বিক্রেতা, সহযোগী ও শুভানুধ্যায়ীদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা। তাদের এই সহযোগিতাকে স্মরণীয় করে রাখতে নয় বছর পূর্তির এই ক্যাম্পেইনটি আয়োজন করা হচ্ছে। তরুণ ও ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশে টেকসই ই-কমার্স ব্যবসা ও ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দারাজ বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মিয়ানমারসহ দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। দারাজ বিশ্ব মানসম্পন্ন মার্কেটপ্লেস প্রযুক্তির মাধ্যমে ১ লাখের বেশি সেলারের ক্ষমতায়ে ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি, সেলারদের এ অঞ্চলের দ্রুত বর্ধনশীল ৫০ কোটি গ্রাহকের সাথে যুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে দারাজ। দারাজ এক্সপ্রেসের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি বাজারের সবচেয়ে কার্যকরী ও ডিজিটালাইজড লজিকটির অবকাঠামো পরিচালনা করছে। দারাজের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার ৫ কোটি ক্রেতা ও ব্যবসা সেবা প্রদান করা।

ক্যাম্পেইনটির সহযোগী স্পন্সর হিসেবে আছে ইউনিলিভার, রেকিট, নেসলে, নিভিয়া, বাটা, লোটো ফারনিকম, ইনফিনিক্স বিডি, ওরাইমো এবং স্পোর্টসহাউস। আর পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে থাকছে বিকাশ, নগদ, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ইবিএল যিপ, এইচএসবিসি, সাউথ ইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, এন সি সি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ব্রাক ব্যাংক। 

সংবাদটি পঠিত হয়েছে: ৩৭৬ বার

এ সম্পর্কিত আরও খবর


Card image

ফুডপ্যান্ডার ‘মিল ফর ওয়ান’ ডিল

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪